২০০২ সালের ভোটার তালিকা নিয়ে উত্তেজনা ও প্রশ্নের মাঝেই নতুন ওয়েবসাইট চালু করল নির্বাচন কমিশন: কীভাবে বদলাচ্ছে Bengal-এর ভোটার যাচাই প্রক্রিয়া
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই। নির্বাচন কমিশন (EC) এইবার Bengal-এ “SIR” বা Special Intensive Revision ঘোষণা করেছে। আর এই SIR নিয়েই রাজ্যে আলোচনা, বিতর্ক, অভিযোগ, বিভ্রান্তি— সবই চলছে একসাথে। এই পটভূমির মধ্যেই কমিশন ২০০২ সালের ভোটার তালিকা দেখার জন্য একটি নতুন ওয়েবসাইট চালু করেছে। সরকারী দাবি— এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা নিজেদের বা বাবা-মায়ের নাম ওই পুরনো তালিকায় খুঁজে পেতে পারবেন এবং যদি তা পাওয়া যায় তবে নতুন inclusion-এর সময় আর fresh document দিতে হবে না।

এই পুরো ঘটনায় অনেক নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।পুরনো ভোটার তালিকা কেন এখন এত গুরুত্বপূর্ণ? কেন সার্ভার ক্র্যাশ হল?কিভাবে সাধারণ ভোটাররা নিজেদের নাম খুঁজবেন? আর SIR-এর এই সময়ে প্রশাসন ও রাজনৈতিক পরিসরে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে?
SIR: Special Intensive Revision কী?
ভারতের নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সময়ে voter list revise করে। প্রতিবার ভোটার তালিকা update হয়। কিন্তু SIR হল আরও বড় পরিসরের বিশেষ update exercise, যেখানে voter list-এ massive verification করা হয়। West Bengal-এ ২০২৬ ভোটের আগে SIR ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায়:
-
কে alive
-
কে shifted
-
কার name double entry
-
কার name missing
-
নতুন eligible voters inclusion
— এগুলি খুঁজে বের করা লক্ষ্য।
এই প্রক্রিয়া দেশের অন্য অনেক রাজ্যেও সময়ে সময়ে হয়। এবার Bengal-এ প্রক্রিয়াটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কারণ রাজ্যের ভোটার সংখ্যা বড় (৭.৬২ কোটি +) এবং ভোটের আগে voter roll 100% accurate করার চেষ্টা হচ্ছে।
কেন ২০০২ সালের voter list কে reference year হিসেবে নেয়া হচ্ছে?
এটা এই পুরো বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।
২০০২ সালের voter list কে এইবার “benchmark” হিসাবে ধরা হয়েছে।
EC বলছে — যদি ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নাম বা তার বাবা/মায়ের নাম থাকে, তবে ওই ব্যক্তি “legacy” voter family হিসেবে ধরা যাবে এবং fresh documents-এর প্রয়োজন নাও হতে পারে।
এটা একদিকে process সহজ করছে।
আরেকদিকে — অনেক voter প্রশ্ন তুলছে — ২৩ বছর আগের list কেন?
২০০২ থেকে ২০২5 — এই ২৩ বছরে কী কী বদলেছে Bengal-এ?
এই অংশটা বোঝা খুব important — কারণ এখানেই confusion তৈরি হচ্ছে।
২০০2-এ:
-
Bengal-এ voters ছিল ~ 4.58 crore
এখন 2025-এ voters ~7.62 crore
অর্থাৎ প্রায় 3+ কোটি বাড়তি voter আছে।
তার মধ্যে:
-
নতুন generation
-
migration
-
boundary change
-
delimitation
সবই আছে।
২০০8 সালে nationwide delimitation exercise হয়েছিল।
পরে Bengal-এ আরও limited boundary change ২০১৫-১৬ তেও হয়।
ফলে একজন voter ২০০২ সালে কোন constituency-র কোন booth-এ ছিলেন
আজ সেটা booth number-এ completely different হতে পারে।
এই কারণেই অনেক voter বলছে:
“আমার বাবার নাম ২০০২-এ ছিল, কিন্তু ওই বুথটা আজকে কোথায় আছে, কিভাবে খুঁজব?”
এটা natural confusion।
Read More:
আজকের সোনার দাম ২০২৫: চমতকার রেট পরিবর্তন ও সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ
প্রথমে server crash কেন হয়ে গেল?
যখন SIR ঘোষণা হল — হাজার হাজার voter একসাথে ২০০২ voter list খুঁজতে গেলেন।
EC বলেছে:
-
NIC সার্ভার থেকে State Data Centre-এ migration চলছিল
-
একই সময়ে high traffic আসে
ফলে “HTTP Error 404” এবং “Service Unavailable” বারবার দেখা যায়।
মানুষ ভাবলেন — লিংক ভুল।
কিন্তু আসলে server load handle করতে পারেনি।
EC পরে বলেছে:
“Too many people were trying to log in at once. Work is ongoing to strengthen the servers.”
এখন নতুন ওয়েবসাইট কী?
EC বলেছে — ceowestbengal.wb.gov.in এই নতুন ওয়েবসাইটে ২০০২ voter list PDF দেখা যাবে।
-
constituency wise
-
booth wise
-
split wise
PDF download করা যাবে।
কোন search box নেই সরাসরি name based — কারণ এটা pure historical PDF archive data।
ভোটাররা এখন কীভাবে নাম খুঁজবেন?
এখানে সহজ বাংলা step:
-
Website খুলতে হবে।
-
District choose করতে হবে।
-
Constituency choose করতে হবে।
-
Booth list open করতে হবে।
-
PDF download or open
-
নিজের নাম / বাবা-মায়ের নাম তালিকায় scan করতে হবে।
Helpline চালু হয়েছে
EC বলছে — helpline: 1800-11-1950
অনেক caller বলছেন — queue long
কারণ অনেক মানুষ একসাথে call করছেন।
panic কেন বাড়ছে?
এই panic purely information vacuum থেকে আসছে। এটা natural human psychology —যখন verification হয় — তখন মানুষ ভাবে “আমাকে reject করা হবে কি?” এটার সাথে citizenship & identity নিয়ে social narrative জুড়ে গেছে। ফলে news, social media, political statements— সব মিলিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তা বেড়েছে। Neutral data point: SIR announcement-এর পর পুলিশের কাছে অন্তত ২টি suicide case officially reached news media-এর রিপোর্টিং-এ এসেছে। এবং একটি suicide attempt— saved. এটা খুব sensitive public sentiment তৈরি করেছে।
রাজনৈতিক পরিসরে কী চলছে?
Neutrally state করা হল:
-
ruling party (TMC) বলছে — fear politics চলছে।
-
central side / EC বলছে — এটা শুধু verification exercise।
মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee & TMC leaders several statements দিয়েছেন — large-scale disenfranchisement হবে— এমন apprehension তুলে ধরেছেন।
৪ নভেম্বর Kolkata-এ march হবে।
EC-এর official stance
EC বলছে:
-
voter fear unnecessary
-
সব eligible voter শেষ পর্যন্ত chance পাবে
-
name verify করার multiple window থাকবে
-
inclusive approach follow করা হবে
মানুষের practical confusion কোথায়?
বেশিরভাগ common voters technical concept বুঝতে পারছেন না:
-
২০০২ booth boundary = আজকের booth boundary আপনি নিজে মিলাবেন কিভাবে?
-
পুরনো constituency names অনেক জায়গায় বদলে গেছে
-
অনেক voter ২০০২ সালে minor ছিলেন— তাদের ২০০২-এ name থাকার কথা নয়
ফলে মানুষ asking:
“আমার বাবা ২০০২-এ voter ছিলেন, এখন আমি adult— আমাকে কী prove করতে হবে?”
এগুলো সব natural confusion।
এখানে EC আরও accessible multilingual guide দিলে মানুষ অনেক সহজে বুঝতে পারবে।
ভবিষ্যতে কী হবে?
SIR চলবে।
house to house visit হবে।
BLO-রা check করবেন।
People will get multiple opportunities to verify.
Conclusion
২০০২ সালের voter roll এই মুহূর্তে Bengal-এর রাজনৈতিক-প্রশাসনিক-সামাজিক কথোপকথনের কেন্দ্র।
নির্বাচন কমিশনের নতুন ওয়েবসাইট launch এই প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এই exercise-এর উদ্দেশ্য হল— upcoming election এর আগে voter list আরও সঠিক করা।
এই প্রক্রিয়া চলাকালীন যে উদ্বেগ, অভিযোগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে— তা স্বাভাবিক।
এখন মূল প্রশ্ন— কত দ্রুত ও কত সহজেই সাধারণ মানুষ নিজের নাম বা পরিবারের legacy link verify করে নিতে পারেন— এবং কতটা transparent communication এই পুরো system-এ দেওয়া হয়।
শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য — সকল eligible voter যেন তাঁদের ভোটাধিকার exercise করতে পারেন — কোন বাধা, confusion বা fear ছাড়াই।

[…] ২০০২ ভোটার তালিকা নিয়ে দুশ্চিন্তা! SIR … […]
[…] ২০০২ ভোটার তালিকা নিয়ে দুশ্চিন্তা! SIR … […]